ডিবি পুলিশের নৃশংসতা নিয়ে কিছুক্ষন আগে আমি যেই ব্লগটা লিখেছিলাম এটা BTRC ব্লক করে দিয়েছে। তাই আমি বাধ্য হয়ে এখন আমার Google এর Blogspot একাউন্টে এই ব্লগটা আবার লিখলাম। আপনারাই পারবেন আমার এই ব্লগটাকে শেয়ার করে বাংলাদেশের সাধারন মানুষদের কে এই নিষ্ঠুর পুলিশ প্রশাসনের হাত থেকে রক্ষা করতে। সবাই কে অনুরোধ করছি খুব দ্রুত আমার এই ব্লগটা শেয়ার ও কপি পেস্ট করে ছড়িয়ে দিতে। এমনও হতে পারে আমি আর খুব অল্প সময়েই আপনাদের সাথে থাকতে পারব। শেয়ার হবে ইনশাল্লাহ।
ডিবি পুলিশের নৃশংসতা জানুন | আমি ইসলাম কে ভালবাসি।
farabi1924.blogspot.com
ডিবি পুলিশের নৃশংসতা জানুন | আমি ইসলাম কে ভালবাসি।
farabi1924.blogspot.com
ডিবি পুলিশের নৃশংসতা জানুন
ঢাকার মিন্টু রোডের ডিবি অফিসের হাজতখানায় আমি মোট ১০ দিন ছিলাম। সেই সময়
আমি খুব কাছ থেকে সাধারন মানুষের উপর ডিবি পুলিশের নৃশংসতা গুলি দেখেছি।
আসামীদের উপর ডিবি পুলিশের নৃশংসতাটা যদি আমি সহজ ভাষায় আপনাদের কে বুঝাতে
চাই তাইলে আপনাদের কে আমি প্রথমেই বলছি যে আমাকে যখন চোখ বেধে ডিবির ডিসি
নজরুল ইসলাম মোল্লার কাছে নিয়ে যাওয়া হয় তখন উনি আমাকে দেখেই অকথ্য ভাষায়
গালিগালাজ করতে থাকেন। কিন্তু এরপরে উনি আমার কথার প্রতি সন্তুষ্ট হয়ে এক
এস আই কে ডেকে আমার চোখ খুলে দিতে বলেন। ডিবির ডিসি নজরুল ইসলাম মোল্লা যদি
আমার কথা দ্বারা সন্তুষ্ট না হতেন তাইলে আমি যে ডিবি পুলিশের হাজতখানায়
মোট ১০ দিন ছিলাম সেই ১০ দিন আর আমার চোখ খুলা হত না। আর সাধারন আসামীদের
ডিবিরা যেইখানে রাখে অর্থ্যাৎ হাজত খানায় সেইখানেও আর আমাকে রাখা হত না।
ঢাকার মিন্টু রোডের ডিবি অফিসে একটা রিমান্ড রুম আছে যেইখনে সুর্যের আলো
প্রবেশ করে না। ডিবির ডিসি নজরুল ইসলাম মোল্লা যদি আমার কথা দ্বারা
সন্তুষ্ট না হতেন তাইলে আমাকে সেই ১০ দিন আমার চোখ বেধে ঐ অন্ধকার রিমান্ড
রুমেই রাখা হত। হ্যাঁ শিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি দেলোয়ার হোসেন কে এই ডিবি
অফিসের রিমান্ড রুমেই মোট ৪৫ দিন রাখা হয়েছিল। ডিবিরা রিমান্ড রুমে প্লাস
দিয়ে আসামীদের নখ উপড়িয়ে ফেলে, আসামিদের লিঙ্গ/Penis
এর ভিতরে আলপিন ঢুকিয়ে একটা বিশেষ নির্যাতন চালানো হয় যার ফলে আসামীর
লিঙ্গ/Penis ৪ ইঞ্চি ফুলে যায়, আসামির হাত উপরে বেধে আসামীর লিঙ্গ/Penis এর
সাথে ১০ কেজী ওজনের বাটখারা ঝুলিয়ে রাখা হয়। জোর করে একটা পানির পাত্রে
আসামীদের কে পস্রাব করানো হয় যেই পানির পাত্রে আগে থেকেই কারেন্টের লাইন
দেয়া থাকে। আপনারা জানেন যে পানি হচ্ছে বিদ্যুৎ পরিবাহী, তাই আসামী
ব্যক্তিটি যখনই ঐ পানির পাত্রে পস্রাব করে সাথে সাথে কারেন্ট ঐ আসামির
লিঙ্গ/Penis এর ভিতরে প্রবেশ করে আসামীটিকে একটি জোরে ধাক্কা দেয়। কত
শিবিরের ছেলেদের কে এই ডিবির রিমান্ড রুমে অত্যাচার করে পুরুষত্বহীন করে
দেয়া হয়েছে এর কোন ইয়াত্তা নাই।
আমি কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারে এরকম অনেক শিবিরের নেতাদের
কে দেখেছি যারা ক্র্যাচে ভর করে হাটতেন। অনেক শিবিরের ভাইদের কে একদম
পংঙ্গুই বানিয়ে দেয়া হয়েছে। কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারের
হাসপাতালের বেডে অনেক শিবিরের নেতারা তাদের পা চ্যাংদোলা করে মাসের পর মাস
হাসপাতালের বেডে শুয়ে থাকতেন। রিমান্ডের সময় ডিবিরা শিবিরের বড় বড় নেতার
হাতটা ধরে মোচর মাড়ত। এক মোচড়ের ফলেই ঐ শিবির নেতার হাতটা কট করে শব্দ করে
এমনভাবে ভেঙ্গে যেত যে সে তার এই হাত কে আর দীর্ঘদিন ব্যবহার করতে পারত না।
অনেক সময় গ্রুপ করে যখন শিবিরের ছেলেদের কে মারা হত তখন কয়েকটা লাঠিও
ভেঙ্গে যেত। একটানা ২/৩ ঘণ্টা শিবিরের ছেলেদের কে লাঠি দিয়ে পিটানো হত।
এমনকি শিবিরের ছেলেদের মুখে থুথুও মারত ডিবি পুলিশরা। আর ডিবির ডিসি
নজরুল ইসলাম মোল্লা আর ডিবির এডিসি মশিউর রহমানের রুমে তো প্রায়ই আমি
দেখতাম ৫০-৬০ বছর বয়সী জামাত নেতাদের চোখ বেধে তারপর তাদের কে মেঝেতে
শুয়িয়ে রাখত। ঢাকার সকল থানা থেকে গ্রেফতার কৃত শিবিরের বড় বড় নেতাদের কে
এই ডিবি অফিসে আনা হত চোখ বেধে। যেহেতু স্থানীয় থানা গুলিতে যে কোন ব্যক্তি
প্রবেশ করতে পারে ও সাংবাদিকদের খুব আনাগোনা আছে তাই শিবিরের বড় বড়
নেতাদের কে মাইর দেয়ার জন্য এই মিন্টু রোডের ডিবি অফিসে আনা হত। কারন
মিন্টু রোডের ডিবি অফিসে কখনই কোন জনসাধারণ ঢুকতে পারে না। আর সাংবাদিকরাও
কখনই ডিবির রিমান্ড রুমে প্রবেশ করতে পারে না। শিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি
দেলোয়ার হোসেন কে নিয়ে ডিবির ডিসি নজরুল ইসলাম মোল্লা আর ডিবির এডিসি মশিউর
রহমান ফুটবল খেলেছিল। আজ পর্যন্ত কোন ইসলামী দলের নেতাকে এতটা শারীরিক
আঘাত করা হয় নাই যে শারীরিক আঘাতটা শিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি দেলোয়ার
হোসেনের উপর করা হয়েছে। শিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি দেলোয়ার হোসেন কাশিমপুর
হাইসিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারেই ছিলেন। আমার আর উনার কোর্ট ডেট এক
তারিখেই এপ্রিল মাসের ১৬ তারিখে পরেছিল। উনি এর ২ দিন আগে ডিবি অফিসে উনার
৪৩ দিন রিমান্ড শেষ করে এসেছেন।
এপ্রিল মাসের ১৬ তারিখের সকাল বেলায় শিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি দেলোয়ার
হোসেন কে যখন কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারের হাসপাতালের বেড
থেকে হুইল চেয়ারে করে জেলখানার কেইস টেবিলের সামনে নিয়ে আসা হয় তখন আমি
দেখলাম একটা মৃত মানুষ কে যেন হুইল চেয়ারে করে নিয়ে আসা হয়েছে। শিবিরের
কেন্দ্রীয় সভাপতি দেলোয়ার হোসেনের কোন সেন্স কাজ করছিল না। উনি কোথায় আছেন
বা উনাকে কোথায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বা উনার আশপাশে কারা আছে এগুলি উনি কিছুই
বুঝতে পারছিলেন না। আমরা সেইদিন ৩০ জনের মত ছিলাম যাদের সেইদিন কোর্ট ডেট
ছিল। আমি যখন শিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি দেলোয়ার হোসেনের হাতটা ধরলাম তখন
আমি দেখলাম উনার হাতের নখ গুলি ডিবিরা প্লাস দিয়ে টেনে তুলে ফেলেছে। জেল
খানায় কারো নামে ৩ টা মামলা থাকলেই তাকে কোর্টে নিয়ে যাওয়ার সময় ডান্ডাবেড়ি
পড়ানো হয়। শিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি দেলোয়ার হোসেনের নামে মামলা ছিল ৪৯
টা। সেই হিসাবে শিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি দেলোয়ার হোসেন কেও এই হুইল চেয়ারে
বসে থাকা অবস্থায় ডান্ডাবেড়ি পরানো হয়েছিল। কিন্তু শিবিরের কেন্দ্রীয়
সভাপতি দেলোয়ার হোসেন কিছুই বুঝতে পারছিলেন না যে উনাকে ডান্ডাবেড়ি পড়ানো
হচ্ছে। সেই সময় উনার মাঝে কোন বোধ শক্তিই কাজ করছিল না। শিবিরের কেন্দ্রীয়
সভাপতি দেলোয়ার হোসেন কে সারা জীবন এই হুইল চেয়ারে করেই চলাফেরা করতে হবে।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রসায়ন বিজ্ঞানে অনার্স ও মাস্টার্সে ফার্ষ্ট
ক্লাস পাওয়া এই মেধাবী ছাত্রটি বাংলাদেশের অপরাজনীতির কবলে পরে সারাজীবন
পঙ্গু হয়ে বেঁচে থাকতে হবে। এই হচ্ছে বাংলাদেশের রাষ্ট্রযন্ত্র ও পুলিশ
প্রশাসন। হ্যাঁ আমি আওয়ামীলীগের সব কথাই মেনে নিলাম যে শিবিরের ছেলেরা
রাজাকারদের মুক্তির জন্য মিছিল করে তাই আমরা তাদের কে ধরে ধরে মারি। কিন্তু
শিবিরের এই ছেলেরা তো বাংলাদেশের নাগরিক আর একটা নাগরিককে তো রাষ্ট্র
যন্ত্র এইভাবে মারতে পারে না যে সে সারা জীবনের জন্য পুরুষত্বহীন পঙ্গু হয়ে
যাবে। শিবিরের ছেলেরা কোন দোষ করে থাকলে আপনি তাদের কে জেলে ঢুকান কিন্তু
রিমান্ডের নামে তো আপনি শিবিরের ছেলেদের কে সারা জীবনের জন্য পঙ্গু
পুরুষত্বহীন করে দিতে পারেন না।
ডিবি পুলিশের যেই নৃশংসতাটা আমার কাছে সবচেয়ে ভয়াবহ লেগেছে তা হল ডিবি
পুলিশরা সাধারন মানুষদের কে ধরে নিয়ে এসে মাসের পর মাস তাদের হাজতে ফেলে
রাখে। এরপর দীর্ঘ ৩/৪/৫/ অথবা ৬ মাস পর ডিবি পুলিশ ঐ আসামীকে আদালতের সামনে
উপস্থিত করে। পরবর্তীতে আমি ৬ মাস কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি কেন্দ্রীয়
কারাগারে জেল খেটে জানলাম যে শুধু ডিবি না বাংলাদেশের অন্যান্য গোয়েন্দা
সংস্থা যেমন DGFI, RAB ও এরকম অনেক আসামীকে ধরে দিনের পর দিন বিনাবিচারে
আটকিয়ে রাখে। ইচ্ছা হলে এরপর তাদেরকে আদালতে উপস্থিত করে নতুবা তাদের কে
গুম করে ফেলে। কিন্তু বাংলাদেশের সংবিধান অনুসারে কোন ব্যক্তিকে ২৪ ঘন্টার
বেশী পুলিশ আটকিয়ে রাখতে পারবেনা। ২৪ ঘন্টার পর ঐ আটককৃত ব্যক্তিকে অবশ্যই
আদালতের সামনে উপস্থিত করতে হবে। একটা গণতান্ত্রিক দেশে তার স্বাধীন
নাগরিকদের কে যে এইভাবে আদালতের কোন অনুমতি ছাড়াই দিনের পর দিন এইভাবে
ডিবি, RAB ও DGFI এর হাজত খানায় আটকিয়ে রাখা হয় এই সম্পর্কে আমার আগে কোন
ধারনাই ছিল না। আমি আপনাদের কে এখন এক ব্যক্তির কথা বলব যাকে ঢাকার ডিবি
পুলিশ দীর্ঘ ৩ মাস বিনা ওয়ারেন্টে আটকিয়ে রেখেছিল। ২৫ ফেব্রুয়ারি রাতে
আমাকে যখন ডিবির হাজত খানায় নিয়ে যাওয়া হয় তখন আমি ঐখানে সোহাগ ফরায়জী নামক
এক ব্যক্তিকে পাই। এই সোহাগ ফরায়জীর আপন ভগ্নিপতি ঢাকার খিলক্ষেতে একটা
স্বর্ণের দোকানে চাকুরী করত। ঐ ভগ্নিপতির ঐ স্বর্ণের দোকানে চাকুরী ছেড়ে
দেয়ার প্রায় ২ মাস পর ঐ স্বর্ণের দোকানে একটা বড় চুরির ঘটনা ঘটে। তারপর
ঢাকার ডিবি পুলিশ উনার ভগ্নিপতি ও উনাকে ও উনার পিতা মাতা বোন ও উনার
স্ত্রী কেও উনাদের দেশের বাড়ি পটুয়াখালীর কলাপাড়া থানা থেকে গ্রেফতার করে
ঢাকায় নিয়ে আসে। সোহাগ ফরায়জী ব্যক্তিটির নাম ও ঠিকানাটা ছিল এরকম
সোহাগ ফরায়জি
পিতা: আমীর ফরায়জী
থানা: কলাপাড়া
জেলা: পটুয়াখালী।
এইখানে আপনাদের কে আগেই বলে রাখি স্বর্ণের দোকানের চুরি ডাকাতির মামলা
গুলিতে ডিবি পুলিশের খুব আগ্রহ থাকে। কারন সোর্স মানি হিসাবে উদ্ধারকৃত
স্বর্ণের একটা অংশ ডিবির ডিসি এডিসিরা পায়। যথারীতি উনাকে ও উনার
ভগ্নিপতিকে ডিবিরা ঢাকায় নিয়ে এসে প্রচুর মাইরধর করে। এমনকি উনাদের পিতা
মাতা বোন ও স্ত্রীদের সামনে উনাদের কে উলঙ্গ করে ডিবিরা মাইরধর করে। সোহাগ
ফরায়জী ও উনার ভগ্নিপতির হাত পায়ের নখ প্লাস দিয়ে উঠিয়ে ফেলছে ডিবিরা,
উনাদের হাতকে ফ্যানের সাথে হ্যান্ডকাপ দিয়ে লকআপ করে দীর্ঘক্ষন উনাদের কে
শুণ্যস্থানে ঝুলিয়ে রেখেছে। উনাদের হাতের চামড়া একদম ছিড়ে গেছে। আর উনাদের
সারা শরীরে খালি লাঠির মাইরের দাগ। এর কিছুদিন পর ডিবিরা সোহাগ ফরায়জীর
পিতা মাতা, বোন ও স্ত্রীকে ছেড়ে দিলেও উনাদের কে আর ছেড়ে দেই নি। এখানে
উল্লেখ্য যে সোহাগ ফরায়জীর পিতা মাতা, বোন ও স্ত্রীদেরকেও ডিবিরা আদালতের
কোন গ্রেফতারি পরোয়ানা ছাড়াই ১ সপ্তাহ আটকিয়ে রেখেছিল। আমি মার্চ মাসের ৬
তারিখ পর্যন্ত ডিবি অফিসে ছিলাম। সেই মার্চের ৬ তারিখ পর্যন্তও আমি সোহাগ
ফরায়জী ও উনার ভগ্নিপতিকে ডিবি অফিসের হাজতখানায় আটক থাকতে দেখেছি। ডিবিরা
কোন ওয়ারেন্ট ছাড়াই উনাদের কে এই দীর্ঘ ৩ মাস আটকিয়ে রেখেছে যা সংবিধানের
সুস্পষ্ট লংঘন। ডিবি অফিসে আসামীদের জন্য ২ টা হাজত খানা। ২ টা হাজত খানাই
পাশাপাশি। একটা হাজত খানায় ডিবির ঢাকা মহানগরী উত্তর পশ্চিমের আসামীরা আর
আরেকটা হাজত খানায় ডিবির ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ পশ্চিমের আসামীরা থাকে।
সোহাগ ফরায়াজির ভগ্নিপতি পাশের হাজত খানায় ছিল। এটাও ডিবিদের একটা মানসিক
যন্ত্রণা দেয়ার কৌশল যে তাদের কে একসাথে রাখবে না। এই যে দীর্ঘ ৩ মাস
আপনারা একটা লোক কে আপনাদের হাজত খানায় এক কাপড়ে আটকিয়ে রেখেছেন সেই লোকটা
কিভাবে তার নখ কাটবে, গোসল করার পর সে কি কাপড় পড়বে এইসব ব্যাপার কিন্তু
কখনই ডিবির ডিসি এডিসিরা লক্ষ্য করত না। এমনকি আমি নিজেও ঢাকার মিন্টু
রোডের ডিবি পুলিশের হাজতখানায় মোট ১০ দিন ছিলাম। সেই সময় আমার হাতের নখ বড়
হয়ে গিয়েছিল। তখন আমি আমার দাত দিয়ে কেটে কেটে আমার হাতের নখ গুলি ছোট
করেছিলাম। আমি নিশ্চিত এখনই যদি কোন সাংবাদিক ডিবি অফিসের হাজত খানায় যায়
তাইলে এইরকম অনেক আসামীকেই পাবে যাদের কে ডিবিরা মাসের পর মাস বিনা
ওয়ারেন্টে আটকিয়ে রেখেছে। জুলাই মাসের শেষের দিকে আমি তখনো জেলখানায় আছি।
জেলখানার ভিতর ইত্তেফাক, জনকণ্ঠ ও The Daily Sun
পত্রিকা পড়া যায়। ইত্তেফাক পত্রিকায় একটা রিপোর্ট দেখলাম যে ঢাকার
খিলক্ষেতের এক স্বর্নের দোকানের চুরির কাহিনী ডিবি পুলিশ বের করেছে। ঐ
স্বর্ণের দোকানে চুরি করেছিল ঐ মার্কেটেরই আরেক স্বর্নের দোকানের
কর্মচারীরা। ডিবিরা যেই সোহাগ ফরায়জী ও তার ভগ্নিপতি কে মাইর ধর করেছিল
পরবর্তীতে জানা গেছে যে তারা ঐ চুরির সাথে জড়িত ছিল না। কিন্তু মাঝখান থেকে
তাদের উপরে ডিবি পুলিশরা কি অবর্ননীয় অত্যাচারটাই না করল !
ডিবি পুলিশের এই সব নৃশংসতা নিয়ে আমার এই ব্লগটা লেখার কারন হল এই যে
আমাদের চোখের সামনে এই দেশটা ধ্বংস হয়ে যাবে আর আমরা তো চুপ করে থাকতে পারি
না। মাসের পর মাস বিনা ওয়ারেন্টে নিরীহ মানুষদের কে ডিবিরা আটকিয়ে রাখবে
আর আমরা তা দেখেও না দেখার ভান করব এটা কোন সচেতন নাগরিকের কাজ হতে পারে
না। আমিই প্রথম বাংলাদেশী যে আসামিদের উপর ডিবি পুলিশের এই সব নৃশংসতা গুলি
প্রকাশ করলাম। আসিফ মহিউদ্দীন আল্লামা শয়তান, সবাক পাখি ও সুব্রত শুভরাও
কিন্তু জানত আসামীদের উপর ডিবি পুলিশদের এই নৃশংসতা গুলি কারন তারাও ডিবি
অফিসে বেশ কয়েকদিন ছিল কিন্তু এই আসিফ মহিউদ্দীনরা ডিবির এই নৃশংসতা গুলি
প্রকাশ করল না জাতির সামনে। সব মানুষকেই এখন চিনা আছে আমার।
ইসলামী আক্বীদা সংশোধনের জন্য আরো পড়তে পারেন
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর বহু বিবাহ প্রসঙ্গে ইসলাম বিদ্বেষীদের সমালোচনার জবাব
আল্লাহ সুবহানাতায়ালার অস্তিত্ত্বের একটি বুদ্ধিবৃত্তিক প্রমান
আল কোরআনের ব্যাকরণগত সৌন্দর্য্যের কিছু অসাধারন দিক
বনী কুরায়জা গোত্রের সকল পুরুষ ইহুদি হত্যা করা প্রসঙ্গে একটি পর্যালোচনা
ইসলামি শরীয়াহ কি কখনই দাস দাসী প্রথাকে সমর্থন করেছিল
আমাদের মুসলমানদের কেন একটি কেন্দ্রীয় খিলাফত রাষ্ট্র প্রয়োজন ?
হাতের কাছে রাখার মত কয়েকটি চমৎকার ইসলামী বই
পুরুষ জাতির বহু বিবাহ প্রথা কে ইসলামী শরীয়াহ আসলে কতটুকু সমর্থন করে
হযরত ঈসা আলাইহিস সাল্লাম ২য় পর্ব
মেসওয়াক করার ফযীলত
আমার উম্মতের মাঝে ৭৩ টি দল হবে এদের মাঝে মাত্র একটি দল জান্নাতে যাবে" এই হাদীস টির মূল ব্যাখ্যা টি কি ?
সিজদায়ে সাহু সংক্রান্ত মাসলা-মাসায়েল
সহিহ শুদ্ধ ভাবে নামায পড়ার জন্য কিছু প্রয়োজনীয় মাসলা
তথ্যসুত্রঃ
www.liberatedthought.blogspot.com
মোবাইল থেকে এই নোট টি শেয়ার করতে চাইলে এই লিংকে Click করুন
ইসলামী আক্বীদা সংশোধনের জন্য আরো পড়তে পারেন
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর বহু বিবাহ প্রসঙ্গে ইসলাম বিদ্বেষীদের সমালোচনার জবাব
আল্লাহ সুবহানাতায়ালার অস্তিত্ত্বের একটি বুদ্ধিবৃত্তিক প্রমান
আল কোরআনের ব্যাকরণগত সৌন্দর্য্যের কিছু অসাধারন দিক
বনী কুরায়জা গোত্রের সকল পুরুষ ইহুদি হত্যা করা প্রসঙ্গে একটি পর্যালোচনা
ইসলামি শরীয়াহ কি কখনই দাস দাসী প্রথাকে সমর্থন করেছিল
আমাদের মুসলমানদের কেন একটি কেন্দ্রীয় খিলাফত রাষ্ট্র প্রয়োজন ?
হাতের কাছে রাখার মত কয়েকটি চমৎকার ইসলামী বই
হযরত ঈসা আলাইহিস সাল্লাম ২য় পর্ব
মেসওয়াক করার ফযীলত
আমার উম্মতের মাঝে ৭৩ টি দল হবে এদের মাঝে মাত্র একটি দল জান্নাতে যাবে" এই হাদীস টির মূল ব্যাখ্যা টি কি ?
সিজদায়ে সাহু সংক্রান্ত মাসলা-মাসায়েল
সহিহ শুদ্ধ ভাবে নামায পড়ার জন্য কিছু প্রয়োজনীয় মাস
মার্ক জুকারবার্গ তো একজন নাস্তিক তাইলে তার আবিস্কৃত ফেইবুক ব্যবহার করা কি আমাদের জন্য ঠিক হচ্ছে ?